কিভাবে থানায় জিডি করবেন ও সার্টিফিকেট হারালে করণীয়

Saiful bin a kalam

ব্যক্তিগতভাবে কোন সমস্যার সমাধান না করা গেলে আইনী সহায়তার প্রয়োজন হয়। বিভিন্ন কারণে থানায় ডায়েরি করা যায়। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে কোন কিছু হারানো বা কেউ হুমকি দিলে। পর্যাপ্ত তথ্য না থাকায় অনেকে থানায় যেতে চান না বা সাহস করেন না। থানায় অভিযোগ করতে হলে তা নির্দিষ্ট ও স্পষ্ট করে লিখতে হবে। এ ক্ষেত্রে ডিউটি অফিসারের সহায়তা নেয়া যাবে। অভিযোগের একটি কপি থানায় সংরক্ষিত থাকবে এবং আরেকটি অভিযোগকারী নিজের কাছে রাখবেন।

উল্লেখ্য থানায় সাধারণ ডায়েরি বা জিডি করতে কোন টাকা-পয়সা লাগে না।

সার্টিফিকেট হারালে যা করণীয়:
প্রথমত: থানায় জিডি করতে হবে। জিডি করার জন্য দরখাস্ত ডাউনলোড করুন: https://drive.google.com/file/d/0B_1svYjaPRwceGVYdkc4aTRNak0/view?usp=sharing
আপনার নাম-ঠিকানা বসিয়ে দরখাস্তটি থানায় দিয়ে আসুন। অবশ্যই দু’কপি ছবি সাথে নিয়ে যাবেন। কোন টাকা লেনদেন করবেন না।

জিডি হয়ে গেলে তার কপিটি সংরক্ষণ করুন অপলাইনে ও অনলাইনে: আমারটা দেখুন:
https://drive.google.com/file/d/0B_1svYjaPRwcaUlBaFBZMjlYZTA/view?usp=sharing

দ্বিতীয়ত: পত্রিকায় হারিয়েছে বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে। এর জন্য আমি একটি এ্যাড ফার্মের ইমেইল ও নাম্বার দিচ্ছি তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। Hifs Media Management – mediactg@gmail.com, 01937993881
সাইফুল বিন আ কালামের কথা বললে হয়তো কিছুটা বাড়তি সুবিধা পাবেন। স্থানীয় পত্রিকায় হলে 500/- টাকার মত লাগতে পারে।

পত্রিকার বিজ্ঞাপনে যেসব বিষয় অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে:
১. জিডি নাম্বার
২. সার্টিফিকেটে থাকা পরীক্ষার নাম
৩. বোর্ড
৪. পাশের সন
৫. নিজের নাম
৬. কীভাবে আপনার সার্টিফিকেট হারিয়েছে

হারানো বিজ্ঞপ্তি পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পর 4/5 টা পত্রিাকা কিনে রাখা ভাল কারণ পরে লাগলে নাও পাওয়া যেতে পারে। আর অবশ্যই স্কেন করে অনলাইনে রাখবেন। আমারটা দেখুন: https://drive.google.com/file/d/0B_1svYjaPRwcTlU3WWNqUU1ZTGc/view?usp=sharing

তৃতীয়ত: মাদ্রাসা বোর্ডের শিক্ষার্থী হলে http://www.bmeb.gov.bd / http://bmeb.ebmeb.gov.bd/ থেকে ফরম ডাউনলোড করবেন। ডাউনলোড লিংক: http://bmeb.ebmeb.gov.bd/data/20160905140546456591.docx
নিজ হতে প্রয়োজনীয় সকল তথ্য পূরণ করুন। আবেদনপত্রের বিভিন্ন অংশে ইংরেজি বড় অক্ষরে এবং বাংলায় স্পষ্ট অক্ষরে পূর্ণ নাম, মাতার নাম, পিতার নাম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম, রোল নম্বর, পাশের বিভাগ/জিপিএ, শাখা, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, শিক্ষাবর্ষ এবং জন্মতারিখসহ বিভিন্ন তথ্য লিখতে হবে। পরবর্তী অংশে জাতীয়তা, বিজ্ঞপ্তি যে দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে সেটির নাম ও তারিখ এবং সোনালী ব্যাংকের যে শাখায় ব্যাংক ড্রাফট করেছেন সে শাখার নাম, ড্রাফট নম্বর ও তারিখ উল্লেখ করতে হবে।
নষ্ট হয়ে যাওয়া সনদপত্র/নম্বরপত্র/একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্টের অংশবিশেষ থাকলে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে না বা থানায় জিডি করতে হবে না। এ ক্ষেত্রে আবেদনপত্রের সঙ্গে ওই অংশবিশেষ জমা দিতে হবে। তবে সনদে ও নম্বরপত্রের অংশবিশেষে নাম, রোল নম্বর, কেন্দ্র, পাশের বিভাগ ও সন, জন্ম তারিখ ও পরীক্ষার নাম না থাকলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। আর বিদেশি নাগরিককে ব্যাংক ড্রাফটসহ নিজ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

তৃতীয়ত: আপনার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করে ডাউনলোড করা ফরমের নির্দিষ্ট স্থানে অধ্যক্ষের সীল, স্বাক্ষর ও মোবাইল নাম্বার নিন। এবং হারিয়ে যাওয়া সার্টিফিকেটের কিছু ফটোকপিতেও অধ্যক্ষের সীল-স্বাক্ষর নিন।  আর প্রাইভেট প্রার্থীদের আবেদনপত্র অবশ্যই গেজেটেড কর্মকর্তার স্বাক্ষর ও নামসহ সিলমোহর থাকতে হবে।  সাথে অবশ্যই প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র রাখবেন। আমারটা দেখুন:
https://drive.google.com/open?id=0B_1svYjaPRwcOVM1VEhjZmdXdzQ

চতুর্থত: নির্ধারিত ফি (প্রতি সার্টিফিকেটের জন্য ৫০০ করে, ভ্যাট সহ ৫৬৫ টাকা) সোনালী ব্যাংকের ডিমান্ড ড্রাফটের মাধ্যমে বোর্ডের সচিব বরাবর জমা দিয়ে রশিদ নিয়ে নিন্।
আমার ডিমান্ড ড্রাপট দেকুন: https://drive.google.com/open?id=0B_1svYjaPRwcQnJ3NGx5eTNQN1k

আমার জমা রশিদ দেখুন; https://drive.google.com/open?id=0B_1svYjaPRwcSGdDVTVXNnVJenM

পঞ্চমত: এবার ডিমান্ড ড্রাপ্টের রশিদ, বিজ্ঞপ্তি দেওয়া পত্রিকা, সত্যায়িত সার্টিফিকেটের ফটোকপি, সত্যায়িত দু’কপি ছবি, জিডির কপি সহ সকল কাগজপত্র ফাইল বন্দি করে বোর্ডে জমা দিয়ে আসুন অথবা পরিচিত কারো মাধ্যমে (কোন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ বা কেরানি) বোর্ডে পাঠিয়ে দিন। বোর্ড থেকে আপনাকে একটি রিসিভিং কপি দেবে। যেটা নিয়ে আপনি পরবর্তী তাদের সাথে যোগাযোগ করবেন।
ষষ্ঠত: মাস দু-এক পরে বোর্ডে নিজে গিয়ে বা কারো মাধ্যমে সেই রিসিভিং কপি দেখিয়ে খোঁজ খবর নেন। তৈরি হয়ে গেলে নিজে গিয়ে নিয়ে আসুন। এক্ষেত্রে কোন রকমের টাকা পয়সা দিতে হবে না।

নতুন সার্টিফিকেট পাওয়ার পর-
দয়া করে অফসেট কাগজে এর কিছু ফটোকপি করিয়ে রাখুন এবং এমন স্থানে রাখুন যাতে তা সহজে হারিয়ে না যায়। অথবা পানি, আগুন বা পোকার আক্রমণে বিনষ্ট না হয়।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s